আপন মানুষের আর্জি

তুমি আমার দোয়ায় অবিরত শ্রদ্ধার অর্ঘে
নেই অভিযোগ অভিমান বিদায় মনন চিন্তনে ,
ব্যস্ত ভিষণ কার্মিক সনে জাগতিক ভ্রমে
তোমার- আমার সুখ মিলন মহাকাল আসনে।

হৃদয়ে বাস সুখাসন অনুভবে স্পর্শে
শিহরণ জাগে উপস্থিতির দূরত্বেও সংস্পর্শে ,
আয়ত নয়ন জাগায় শ্রদ্ধা ভালোবাসার কাননে
অনুভবে আছো ঘিরে সুখের বাগান বিলাসে।

অন্ধকারে আলোর জ্যোতি দেখায় পথ
হঠাৎ এক উল্কা পিন্ডে যেন পুড়লো অন্তর
ছাই হতে বিচ্ছুরিত আলোয় আলোকিত চারধার
দূর হোক সকল আঁধার, চমক যেন পবিত্র আত্মার।

উৎসর্গ: এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. ইকবাল কবীর (বড় ভাইয়া)

হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় বই কিনুন: https://rkmri.co/M0Nl2IRmAy03/

বিদায় চিরতরে

আমি হঠাৎ করে চলে যাবো এলোমেলো
পারিবেশে দূর হতে বহু দূরে অজানা এক দেশে,
একবিংশ শতাব্দীর পরে এসে মানবজাতি গুরুত্ব
সহকারে লক্ষ্য ভরে শুধু লাভের অংক কষে-
ক্যা ক্যা করে মরে কারো কারো অভাবী
স্বভাব বল দেখি লাভ কী মেকি ভালোবেসে?

ভালোবাসিস নে আর আমি অধমরে
তোদের জন্যই এসেছি অভ্যক্ত বক্তব্যের ভীরে,
কংসারি হস্তে ধরে স্কেচখাতা ভরে রাখিতে চাই
আমি তোদের বেঁধে রাখতে প্রেম ডোরে-
যদিও আমি হঠাৎ কোন একদিন নেবো
অগোছালো পরিবেশে বিদায় চিরতরে।

অহর-নিশি কিবা তোদের থাকবে যখন
ব্যস্ততা শুনাবো না আর পাঠ করে কবিতা,
ভগ্নহৃদয়ে রাখিবো না মান অভিমান বিদায়
দেবো চিরতরে জ্ঞানভান্ডারে যা সঞ্চিত ছিলো তা-
তবুও বলবো আমি সন্ধান কর কোথায়
আছে সভ্যতা নীতি নৈতিককতা সহমর্মিতা।

আসবো না কভু এ ভূবনশ্বরের কোন মানবের
তরে নব রুপে ফুটাতে কাব্যের ফুলঝুরি,
স্নেহাসিক্ত হৃদে পূজো দেবো না আর প্রেম
সিক্ত কাব্যপ্রমীক করবোও না তোদের মন চুরি-
গাঁথবো না মালা হচ্ছে ভীষণ জ্বালা শুকিয়ে
গেলেও বকুল ফুলে ঘ্রাণ থাকে যদিও ভূরি ভূরি।

তোদের সুখ উল্লাসে হাসবো না আমি আর
তোদের শোকও কাঁদিবে না জানি মোর প্রাণ,
দাঁড়াবো না প্রতিবাদ করতে কংসারি নিবো
না হস্তে বুলেট ছুঁড়তে সবি হবে ঐ দিন ম্লান-
মিথ্যে মায়ায় নিজেকে পুড়াই লাভ কি হবে বল এ
ধরাতে থাকতে যদি না করিস যদি মূল্যায়াণ।

যতোদিন বাঁচবো শুধুই অভিনয় কোথাকার
আমি কোন মহাজীব পরিচয়ের খোঁজ পাবে না,
আদর সোহাগে মন গলাবো না আর মোমের মতন
দিবো না যাতনা করেছি তো আমি নিজেই রক্তকান্না-
যদিও অজানা তবুও সে আপনজনা তারই
রথে চড়ে চলে যেথে হবে ছেড়ে আনন্দ কিংবা বেদনা।

(সংক্ষিপ্ত)

পরিচিতি

তৌফিক আল-আমিন (তক্বী) একজন কবি ও কথাসাহিত্যিক। তিনি ১৯৯৯ সালে নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার মনাষ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর পিতা মৃত. মোহাম্মদ আব্দুল মালেক ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং রাজনীতবিদ। মাতা: মোছা: হালিমা খাতুন, তিনি সুশিক্ষিত ও স্নেহময়ী পল্লীজননী। পিতৃহীন এ সাহিত্যিক তাঁর মায়ের তত্ত্বাবধানে বড় হয়েছেন।

তিনি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে বিএ অনার্স এবং পাশাপাশি সাভার হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ থেকে ডিএইচএমএস কোর্স সম্পন্ন করেছেন।

সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বিচরণ করা ওই সাহিত্যিকের একাধিক গ্রন্থ প্রকাশিতব্য।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।